BD Students Talk


BDStdentsTalk.com is an online students forum community for Bangladeshi students all over the world. This is created to unite all Bangladeshi students from home and abroad to share their thoughts and help each other with both academic & non-academic subjects. Join the discussion now!

Member Login



Lost your password?

Forum Stats

Latest Member


Not a member yet? Sign Up!



*


collapse

Author Topic: ক্যান্সার  (Read 1503 times)

Offline ams

  • Super User
  • *
  • Posts: 60
  • Member Reputation: +14/-0
  • i wanna a happy person! :)
    • View Profile
  • Current Institution : International Islamic University Chittagong.
ক্যান্সার
« on: April 15, 2012, 08:06:31 PM »
ক্যান্সার  এক ধরনের রোগ। এখনও পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। কারণ হচ্ছে প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার রোগ সহজে ধরা পরে না, ফলে শেষ পর্যায়ে গিয়ে ভালো কোনও চিকিৎসা দেয়াও সম্ভব হয় না। বাস্তবিক অর্থে এখনও পর্যন্ত ক্যান্সারের চিকিৎসায় পুরোপুরি কার্যকর কোনও ওষুধ আবিষ্কৃত হয় নি। ক্যান্সার সারানোর জন্য বিভিন্ন ধরেনর চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পরলে এই রোগ সারানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকখানি। ২০০ প্রকারেরও বেশি ক্যান্সার রয়েছে। প্রত্যেক ক্যান্সারই আলাদা আলাদা এবং এদের চিকিৎসা পদ্ধতিও আলাদা।আমি চেষ্টা করছি আপনাদের ক্যান্সার সম্পর্কে কিছুটা ধারনা দেওয়ার।

বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর শরীর অসংখ্য ছোট ছোট কোষের মাধ্যমে তৈরি। এই কোষগুলো একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর মারা যায়। এই পুরনো কোষগুলোর জায়গায় নতুন কোষ এসে জায়গা করে নেয়। সাধারনভাবে কোষগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে এবং নিয়মমতো বিভাজিত হয়ে নতুন কোষের জন্ম দেয়। সাধারনভাবে বলতে গেলে যখন এই কোষগুলো কোনও কারণে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে তখনই ত্বকের নিচে মাংসের দলা অথবা চাকা দেখা যায়। একেই টিউমর বলে। এই টিউমর বেনাইন বা ম্যালিগন্যান্ট হতে পারে। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকেই ক্যান্সার বলে।
বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজনক্ষম হয়ে বৃদ্ধি পাওয়া কলাকে নিয়োপ্লাসিয়া (টিউমর) বলে, এবং সেরকম কোষকে নিয়োপ্লাস্টিক কোষ বলে। নিওপ্লাস্টিক কোষ আশেপাশের কলাকে ভেদ করতে না পারলে তাকে বলে নিরীহ বা বেনাইন টিউমর। বেনাইন টিউমর ক্যান্সার নয়। নিওপ্লাসিয়া কলা ভেদক ক্ষমতা সম্পন্ন হলে তাকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমর বা ক্যান্সার, এবং তার অনিয়ন্ত্রিত বিভাজনক্ষম ভেদক ক্ষমতাইযুক্ত কোষগুলিকে ক্যান্সার কোষ বলে। অনেক ক্যান্সার প্রথমে বেনাইন টিউমর হিসাবে শুরু হয়, পরে তার মধ্যেকার কিছু কোষ পরিবর্তিত (ট্রান্সফর্মেসন) হয়ে ম্যালিগন্যান্ট (অর্থাৎ ভেদক ক্ষমতাযুক্ত) হয়ে যায়। তবে বেনাইন টিউমর ক্যান্সারে পরিবর্তিত হবেই তার কোন স্থিরতা নেই। কিছু বেনাইন টিউমর সদৃশ ব্যাধি আছে যাতে ক্যান্সার হওয়া অবস্যম্ভাবী - এদের প্রি-ক্যান্সার বলে। নামে বেনাইন অর্থাৎ নিরীহ হলেও বেনাইন টিউমরও চাপ দিয়ে আশেপাশের কলার ক্ষতি করতে পারে। মেটাস্টাসিস হলো ক্যান্সারের একটি পর্যায়, যাতে ক্যান্সার কোষগুলি অন্যান্য কলাকে ভেদ করে ও রক্ত, লসিকাতন্ত্র ইত্যাদির মাধ্যমে দূরবর্তী কলায় ছড়িয়ে যায়।

ক্যান্সারের কারণ
ঠিক কি কারণে ক্যান্সার হয় সেটা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে সাধারণ কিছু কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে।যেমনঃ

বয়স
সাধারণত বয়স যত বাড়তে থাকে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়তে থাকে, কারণ এ সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এক হিসেবে দেখা যায় যত মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তাদের শতকরা ৭০ ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের ওপর।

খাবার এবং জীবনযাপনের ধারা
খাবার এবং জীবনযাপনের ধারার সাথে ক্যান্সারের গভীর সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছে গবেষকরা। যেমন, ধুমপান বা মদ্যপানের সাথে ফুসফুস, মুখ ও কণ্ঠনালীর এবং যকৃত বা লিভারের ক্যান্সারের যোগাযোগ রয়েছে। তেমনই ভাবেপান-সুপারি, জর্দা, মাংস, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ইত্যাদি খাবারের সাথেও ক্যান্সারের যোগসূত্র রয়েছে। যারা সাধারণত শারীরিক পরিশ্রম কম করে তাদের মধ্যেও ক্যান্সারের প্রবণতাটা বেশি।

পারিবারিক ইতিহাস
ক্যান্সারের সাথে জিনগত সম্পর্ক রয়েছে বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই কারণে পরিবারের কারো যদি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা থাকে তাহলে অন্যদেরও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকখানি বেড়ে যায়।

পরিবেশ এবং পেশাগত কারণ
রাসায়নিক পদার্থের সাথে ক্যান্সারের অনেক বড় একটা সম্পর্ক রয়েছে। যেমন, মেসোথেলিওমিয়া-তে (এক ধরনের দূর্লভ ক্যান্সার, এতে ফুসফুসের চারপাশ এবং পেটের দিকের কোষগুলো আক্রান্ত হয়) আক্রান্তদের ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই এসবেস্টস ধাতুর সংস্পর্শে আসার কারণে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। সাধারণত জাহাজ তৈরির শিল্পের সাথে যারা জড়িত তাদের এই ধাতুর সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাটা বেশি থাকে। এই কারণেই অনেক দেশে এই ধাতুর ব্যবহার নিষিদ্ধ। একইভাবে রঙের কারখানা, রাবার বা গ্যাসের কাজে যারা নিয়োজিত তারা এক ধরনের বিশেষ রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসার কারণে মুত্রথলির ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে অনেক দেশে এসব রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। পরিবেশগত কারণের অন্যতম একটা হচ্ছে সূর্য। রোদে বেশিক্ষণ থাকার কারণে ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তেজস্ক্রিয়তার কারণেও বিভিন্ন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

ক্যান্সারের সাধারণ লক্ষণ
একেক ক্যান্সারের জন্য একেক ধরনের লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে। তবে সাধারণ কিছু লক্ষণ হচ্ছে:

   খুব ক্লান্ত বোধ করা
   ক্ষুধা কমে যাওয়া
   শরীরের যে কোনজায়গায় চাকা বা দলা দেখা দেয়া
   দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙ্গা
   মলত্যাগে পরিবর্তন আসা (ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা মলের সাথে রক্ত যাওয়া)
   জ্বর, রাতে ঠান্ডা লাগা বা ঘেমে যাওয়া
   অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমা
   অস্বাভাবিক রক্তপাত হওয়া
   ত্বকের পরিবর্তন দেখা যাওয়া

ক্যান্সারের চিকিৎসা
ক্যান্সারের চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

অস্ত্রোপচার
যে জায়গাটি ক্যান্সার আক্রান্ত হয় সেটির ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলো এবং তার আশেপাশের কোষগুলোকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে সরিয়ে ফেলা হয়। ক্যান্সার যদি অল্প একটু জায়গা জুড়ে থাকে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তাহলে এ ধরনের চিকিৎসা দেয়া হয়।

রেডিওথেরাপি
নিয়ন্ত্রিতভাবে শরীরের অংশবিশেষে তেজস্ক্রিয় রশ্মি প্রয়োগ করে সেই জায়গার কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলা হয়।

কেমোথেরাপি
এই ব্যবস্থায় ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে অ্যান্টি-ক্যান্সার (সাইটোটক্সিক) ড্রাগস বা ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ৫০টিরও বেশি ধরনের কেমিওথেরাপি ওষুধ রয়েছে। এগুলোর কোনকোনটা ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল হিসেবে খেতে হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ওষুধগুলোকে স্যালাইনের সাথে বা অন্য কোনভাবে সরাসরি রক্তে দিয়ে দেয়া হয়। রক্তের সাথে মিশে এই ওষুধগুলো শরীরের যেখানে যেখানে ক্যান্সার কোষ রয়েছে সেখানে গিয়ে ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে।

হরমোন থেরাপি
শরীরের কিছু হরমোনের মাত্রা পরিবর্তন করার মাধ্যমে এই চিকিৎসা করা হয়। শরীরের বৃদ্ধির সাথে হরমোনের একটা সম্পর্ক রয়েছে। কোন কোন ক্যান্সার এই হরমোনের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়। ফলে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি কমিয়ে ক্যান্সারকে নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসতে হরমোন থেরাপি ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য চিকিৎসা
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে তোলে এ ধরনের ওষুধ তৈরির ব্যাপারে এখন গবেষণা চলছে। এছাড়াও ক্যান্সারের ভ্যাকসিন তৈরির ব্যাপারে চেষ্টা চলছে। কিন্তু এখনো এগুলো একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ
গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত কিছু ব্যাপার মেনে চললে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকখানি কমানো যায়। যেমন:
১.ব্যায়াম
২.খাদ্যভ্যাস ও ক্যান্সার
ধুমপান বা মদ্যপান ছেড়ে দেয়া বা পরিমাণ কমিয়ে আনা। পান-সুপারি জর্দা, তামাকপাতা খাওয়া বন্ধ করা। চর্বিজাতীয় পদার্থ কম খাওয়া। সম্ভব হলে মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেয়া বা কমিয়ে দেয়া। প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি, ফলমূল এবঙ আঁশজাতীয় খাবার খাওয়া।
৩.সচেতনতা
বাইরে বের হওয়ার সময় সানস্ক্রিন মেখে বের হওয়া। নিয়মিত ডাক্তার দেখানো। সেটা সম্ভব না হলে শরীরে কোন অস্বাভাবিকতা দেখা দিলেই ডাক্তারের কাছে যাওয়া। ৫০ বছরের বেশি বয়স হলে অবশ্যই নিয়মিত ডাক্তারের কাছে গিয়ে শরীর পরীক্ষা করানো।
আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন।

Thank You!
তথ্য কৃতজ্ঞতাঃ
ম্যাকমিলান ক্যান্সার সাপোর্ট
দ্যা প্রস্টেট ক্যান্সার চ্যারিটি


Offline admin

  • Administrator
  • *****
  • Posts: 5
  • Member Reputation: +1/-2
    • View Profile
Re: ক্যান্সার
« Reply #1 on: April 15, 2012, 08:29:14 PM »
অনেক কিছু জানতে পারলাম।
ধন্যবাদ।

Offline ams

  • Super User
  • *
  • Posts: 60
  • Member Reputation: +14/-0
  • i wanna a happy person! :)
    • View Profile
  • Current Institution : International Islamic University Chittagong.
Re: ক্যান্সার
« Reply #2 on: April 15, 2012, 08:32:48 PM »
wlcm boss! :)

Offline skmou

  • Newbie
  • *
  • Posts: 22
  • Member Reputation: +0/-0
  • I am an Honours Graduate (BSS in Management)
    • View Profile
    • Earning on Internet Forex for Beginners
  • Current Institution : Bangabandhu University College, Gopalganj
Re: ক্যান্সার
« Reply #3 on: April 17, 2012, 05:17:19 AM »
Thats right in general but Cancer knows no history in most cases.
Looking for Job

Offline ams

  • Super User
  • *
  • Posts: 60
  • Member Reputation: +14/-0
  • i wanna a happy person! :)
    • View Profile
  • Current Institution : International Islamic University Chittagong.
Re: ক্যান্সার
« Reply #4 on: April 17, 2012, 11:15:29 AM »
first ei bole dea hoache j near about 200types cancer ache. ekhane kono specific type nie bola hoyni.general info dea hoase. so,age puro post ti dkhe tar por reply dea ucit…

Offline Prodigy

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 390
  • Member Reputation: +18/-2
    • View Profile
  • Current Institution : IIUC
Re: ক্যান্সার
« Reply #5 on: April 17, 2012, 03:08:47 PM »
কিছু দিন আগে নেটে একটা আর্টিকেল পরলাম যে ইসরাইলের গবেষকরা নাকি ক্যান্সার প্রতিষেধকের সন্ধান পেয়েছে। নিচে আর্টিকেলটা শেয়ার করলাম।

ক্যান্সার চিকিত্সায় কার্যকর প্রতিষেধকের সন্ধান পেয়েছেন ইসরাইলের গবেষকরা। তারা এমন একটি উপাদানের সন্ধান পান, যা দিয়ে সুস্থ দেহকোষের ক্ষতির আশঙ্কা না করে আরও কার্যকরভাবে ক্যান্সারের চিকিত্সা করা যাবে। ইসরাইলের তেলআবিব বিশ্ববিদ্যালয় ও সেবা মেডিকেল সেন্টারের বিজ্ঞানীদের এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন চিকিত্সা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ব্রেস্ট ক্যান্সার রিসার্চে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণা দলের নেতৃত্ব দেয়া তেলআবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মালকা কহেন-আরমন বলেন, আমরা ক্যান্সার কোষের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছি। সুস্থ কোষের ক্ষতি না করে
ক্যান্সার কোষ মারতে পারার ওষুধ তৈরি করে রোগীর কষ্ট অনেক কমানো যাবে। এমনকি আমরা সুস্থ কোষের ক্ষতির আশঙ্কা না করে আরও কার্যকরভাবে চিকিত্সা চালাতে পারব।
গবেষকরা তাদের গবেষণায় যে উপাদান চিহ্নিত করেছেন তা এক দশক আগে স্নায়ু কোষকে স্ট্রোকের পর রক্ষায় বের করা একটি ওষুধ থেকে নেয়া। গবেষণায় দেখা গেছে, উপাদানটি সুস্থ ও ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের নতুন কোষ তৈরির প্রক্রিয়া প্রাথমিকভাবে বাধাগ্রস্ত করে। উপাদানটির কারণে ক্যান্সার কোষগুলো দ্রুত মারা গেলেও সুস্থ কোষগুলো এক ঘণ্টার মধ্যেই উপাদানটির প্রভাব কাটিয়ে উঠে আবার নতুন করে কোষ উত্পাদন শুরু করে।
কোহেন-আরমন জানান, উপাদানটির ক্যান্সার চিকিত্সায় কার্যকারিতা খুঁজে পাওয়া গেছে অনেকটা কাকতালীয়ভাবেই। আমি এমনকি ক্যান্সার গবেষকও নই। দুই বছর আগে একটি গবেষণা প্রতিবেদন পড়ে আমি ক্যান্সার কোষের ওপর আগ্রহী হয়ে উঠি। আমরা এখনও পুরোপুরি বুঝতে পারছি না এমনটা কেন হচ্ছে। কিন্তু আমরা দেখেছি, এ উপাদানের প্রভাবে ক্যান্সার কোষ মারা গেলেও সুস্থ কোষ ওষুধের প্রভাব কাটিয়ে উঠছে। সুস্থ কোষগুলো কোনোভাবে ওই উপাদানের প্রভাব কাটিয়ে ওঠার উপায় খুঁজে পেয়েছে।
গবেষণাটি চালানো হয় স্ত্রী ইঁদুরের ওপর। কোহেন-আরমন জানান, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ওপর উপাদানটির পরীক্ষা চালানো হয়েছে। তবে কেবল স্তন ক্যান্সারের ওপর গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। উপাদানটি দিয়ে সব ধরনের ক্যান্সারের চিকিত্সায় ওষুধ উত্পাদনের সবচেয়ে বড় বাধা হলো, মূল ওষুধটি একটি মার্কিন ওষুধ কোম্পানির পেটেম্লট করা। তেলআবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনোলজি ট্রান্সফার কোম্পানি র্যামোট কেবল স্তন ক্যান্সারের চিকিত্সায় ওষুধ উন্নয়নের পেটেম্লট পেয়েছে। এখন ভবিষ্যতে ক্যান্সারের চিকিত্সায় ওষুধটি বাজারে আসবে কিনা তা নির্ভর করছে মার্কিন কোম্পানিটির সদিচ্ছার ওপর। অথবা অন্য কোনো কোম্পানি যদি একই রকম উপাদান বানাতে পারে তবে ওষুধটি উত্পাদন সম্ভব হবে।
কোহেন-আরমন বলেন, আমরা এই ওষুধটি উত্পাদন করতে চাই। কিন্তু এতে বিজ্ঞানের বাইরেও কিছু জটিলতা রয়ে গেছে। তবে আশা করছি, এ কারণে গবেষণার ফল হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে না। সূত্র : বিবিসি।


Offline ams

  • Super User
  • *
  • Posts: 60
  • Member Reputation: +14/-0
  • i wanna a happy person! :)
    • View Profile
  • Current Institution : International Islamic University Chittagong.
Re: ক্যান্সার
« Reply #6 on: April 17, 2012, 09:17:26 PM »
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আমি দেখি এর উপর আর ও কিছু জানতে পারি কিনা......।

Offline Prodigy

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 390
  • Member Reputation: +18/-2
    • View Profile
  • Current Institution : IIUC
মাশরুমের মৃত টুপির মতো অংশটুকু ক্যানসার রোগের উপশম করতে পারে। শরীরে কোনো ধরনের ক্ষতি ছাড়াই এটি ক্যানসারের কোষ নষ্ট করে দিতে পারে। এতে সাদা বাটনের মাশরুমের মতো এ এমানিটিন নামের এক ধরনের বিষাক্ত উপাদান রয়েছে। যা রোগীর শরীরে বিদ্যমান ক্যানসার আক্রান্ত কোষগুলো নষ্ট করে দেয়। শরীরে প্রবেশ করালে এর বিষাক্ত উপাদান সঠিক জায়গায় আশ্রয় নিয়ে ক্যানসার প্রতিরোধে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে ক্যাপটি রক্তের ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ ধ্বংস করে দেয়। এতে ইপকেম নামক পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে যা পক্ষাঘাতকৃত কোষগুলোর বিনাশ করে। পাশাপাশি ক্ষতিকর কোষগুলোকে বাড়তে বাধা দেয়। জার্মান ক্যানসার গবেষণা কেন্দ্র এবং ন্যাশনাল টিউমার ডিজিজ হেইডেলবার্গের এক যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অধ্যাপক ড. হেইঞ্জ ফউলস্টিক এবং ড. জারহার্ড মলডেনহায়ের এ গবেষণাটি সম্পাদন করেন। গবেষণা শেষে তারা একমত হয়েছেন, মানবদেহের কোনো রকমের ক্ষতিসাধন ব্যতিরেকে ছত্রাক জাতীয় এ উপাদানটি কার্যকরভাবে ক্যানসার চিকিত্সায় বিপ্লব এনে দিতে পারে। সূত্র জিনিউজ।


Offline ams

  • Super User
  • *
  • Posts: 60
  • Member Reputation: +14/-0
  • i wanna a happy person! :)
    • View Profile
  • Current Institution : International Islamic University Chittagong.
Re: ক্যান্সার
« Reply #8 on: April 23, 2012, 09:08:59 PM »
boss jotil ekta news dlen...many many thnx


Tags:
 

GoogleTagged



Recent Posts